আনন্দকানন
RNI no -WBBIL/2019/79312
Oops! Looks like this custom HTML web element hit a plan limit and is taking a little break.
Please ask the website owner to upgrade and bring it back to action!
Oops! Looks like this custom HTML web element hit a plan limit and is taking a little break.
Please ask the website owner to upgrade and bring it back to action!
Oops! Looks like this custom HTML web element hit a plan limit and is taking a little break.
Please ask the website owner to upgrade and bring it back to action!
Oops! Looks like this custom HTML web element hit a plan limit and is taking a little break.
Please ask the website owner to upgrade and bring it back to action!
আনন্দকানন
RNI no -WBBIL/2019/79312
“সারভাইভাল কোনডো” ও “বিশ্বের বীজভান্ডার”
তন্ময় ঘোষ
যার সৃষ্টি আছে তার ধ্বংসও আছে, এটাই চিরন্তন সত্য। ঠিক একইভাবে পৃথিবীও প্রতিদিন ক্রমশ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে চলেছে। বিশ্ববিখ্যাত পদার্থবিদ ও কসমোলজিস্ট স্টিফেন হকিং এই নিয়ে ভবিষ্যৎ বানী করে গিয়েছেন। পৃথিবীকে এই ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য দিনরাত পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরাও। আর এই গবেষণার মধ্যেই উঠে এসেছে বেশ কিছু মারাত্মক তথ্য। পৃথিবী সৃষ্টির সময় থেকেই জীবজগৎ বারবার ধ্বংসের সম্মুখীন হয়েছে কিন্তু সৃষ্টির লীলাখেলায় তা কোনদিন বিলীন হয়ে যায়নি। যুগযুগ ধরে বিভিন্ন মানব সভ্যতার আবির্ভাব ঘটেছে আবার ধংসও হয়েছে, এটি বিশেষ অঞ্চল বা মহাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকেছে, কিন্তু কখনই একসাথে সমগ্র মানবজাতির আশঙ্কার কারণ হয় নি।
সারা বিশ্বের মানুষ এখন আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। মানুষ বুঝতেই পারছে না কোথায় গেলে একটু শান্তি পাওয়া যাবে। একদিকে করোনা আতঙ্ক, অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়, দাবানল, ভূমিকম্প যা চিন্তায় ফেলছে সমগ্র মানবজাতিকে। কারণ তারা কেউ জানেনা তাদের জন্য এরপর কি অপেক্ষা করে আছে!
করোনা ভাইরাস আসার আগে থেকেই মানুষের মধ্যে একধরনের ভয়, বলা যায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। নিকট ভবিষ্যতে এমন কিছু কি ঘটতে পারে, যার কারণে পুরো মানবসভ্যতাই ধ্বংসের সম্মুখীন হবে? তেমন যে অনেক কিছুই আছে, সে কথা সবার জানা। কিন্তু সম্ভাবনার ভিত্তিতে বিজ্ঞানী এবং গবেষকেরা কয়েকটি বিষয়কে পৃথিবীর জন্য হুমকি বলে মনে করছেন।
যেমন এমন কোনো প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগ এসে যেতে পারে, যার কোনো চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বের করতে পারবেন না। পারলেও সেই সময়ের মধ্যে সেটা মানবসভ্যতাকে প্রায় ধ্বংস করে দেবে। অথবা পরিবেশ দূষণের জন্য জলবায়ুর যে ব্যাপক রদবদল ঘটছে তার খেসারতে মানব সভ্যতা হুমকির মুখে দাঁড়াবে। এছাড়া রয়েছে পারমাণবিক যুদ্ধ। উন্নত দেশগুলির অস্ত্রাগারে যে পরিমাণ পারমাণবিক অস্ত্র আছে, তা পৃথিবীকে সহজেই ধ্বংস করে দিতে পারে।
পৃথিবীতে মানবসভ্যতার শেষ দিনটি যে ভয়ঙ্কর হবে সেটাই স্বাভাবিক, হয়তো এখনও বেশ কয়েক কোটি বছর বাকি। অবাস্তব লাগলেও আপনার কি মনে হয় পৃথিবীর কোন মানুষ বাঁচবে ? আমেরিকার সুপার প্রোমোটার ল্যারি হল বলেছেন- হ্যাঁ বাঁচবে! কিছু মানুষ বাঁচবেন, অন্তত পাঁচ বছরের জন্য বাঁচবেন। শুনতে আজব মনে হলেও ঘটনাটি কিন্তু সত্যি। শেষের সেই ভয়ঙ্কর দিনটিতে যারা বাঁচবেন তারা কেউ আমার আপনার মত সাধারন মানুষ নয়, তারা আমেরিকার মুষ্টিমেয় কিছু ধনকুবের। হ্যাঁ ‘ডুমস ডে’ পৃথিবীতে সুপার বিচ আমেরিকানদের বাঁচিয়ে রাখার জন্য বিলিয়ন ডলারের বিলাসবহুল বাঙ্কার বানানো হয়েছে পাতালে যার পোশাকি নাম “সারভাইভাল কোনডো”।
মাটির নিচে থাকা এই পনেরো তলা সুপার শেল্টার পৃথিবীর যেকোন বোমা আর প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে আবাসিকদের সুরক্ষিত রাখবে। পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠে কোন জীব না বাঁচলেও তারা অন্তত পাঁচ বছর দিব্যি বেঁচে থাকতে পারবেন। আপাতত সত্তরটি পরিবারের জন্য তৈরি হয়েছে এই পাতালপুরী। প্রথম সুপার লাক্সারি বাঙ্কার টির নাম ‘সাইলো- এফ’। অস্বাভাবিক উচ্চতা, অস্বাভাবিক উষ্ণতা, জলের প্রবল চাপ ও উন্মত্ত গতির বাতাস ও দাঁত ফোটাতে পারবে না এই সারভাইভালের দেয়ালে। এটমবোমর সরাসরি আঘাত নাকি হেলাই রুখে দেবে ন’ফুটের পুরু স্টিলের দেয়াল। বাঙ্কারের বাসিন্দারা তাই যেকোনো প্রাকৃতিক ও মানুষ তৈরি বিপর্যয় থেকে বেঁচে যাবেন।
কিন্তু তারপর কি হবে ...? তাই হাল ছেড়ে না দিয়ে একদল বিজ্ঞানী এই পাঁচ বছরকে সম্বল করে মানব সভ্যতাকে পৃথিবীর বুকে টিকিয়ে রাখার নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যেতে লাগলেন। শেষে আশার আলোর সন্ধান দিলেন যা মানব সভ্যতার জন্য ইতিহাস সৃষ্টি করবে।
পরিবেশদূষণের মাধ্যমে মানুষ ইতিমধ্যেই পৃথিবীর আবহাওয়ায় বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। এই পরিবেশদূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে গ্লোবাল ওয়ার্মিং পৃথিবীকে অচিরেই মানুষের বসবাসের অযোগ্য করে তুলবে। উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিলে সভ্যতাই এখন হুমকির সম্মুখীন।
তাই এই গ্রহের প্রাণীদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বিজ্ঞানীরা রীতিমত উঠে পড়ে লেগেছে। ধ্বংসের এই আশঙ্কা থেকে তারা চাইছেন পৃথিবীর অস্তিত্ব অন্তত পরোক্ষ ভাবে টিকিয়ে রাখার জন্য এবং কিভাবে পৃথিবীর প্রাণীর অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা সম্ভব তার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
একদল বিজ্ঞানী ভাবছেন পৃথিবীকে বাঁচাতে আর একদল বিজ্ঞানী ভাবছেন বেঁচে যাওয়া পৃথিবীর অস্তিত্ব রক্ষার গুরু দায়িত্ব। বিপর্যয়ের পরও যারা বেঁচে থাকবেন তাদের বাঁচিয়ে রাখার জন্যই শস্য বীজ সংরক্ষণ করে রাখার কথা মাথায় আসলো।
বেঁচে থাকার মূল উপাদান খাদ্য তবে যদি মহাজাগতিক দুর্ঘটনায় সেই শস্য যদি ধ্বংস হয় তাহলে মানবজাতি বিরাট ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। দাদু দিদাদের দেখেছি জমির সবচেয়ে ভালো ফলন সম্পন্ন অংশ বীজের জন্য নির্বাচন করতে, ফসল কেটে পরিষ্কার করে রোদে শুকিয়ে উপযুক্ত স্থানে সংগ্রহ করতে। বীজ কখনও স্যাঁতসেঁতে জায়গায় সংরক্ষণ করা হয় না, সংরক্ষণ করা বীজ মাঝে মাঝে পরীক্ষা করে দেখতে হয় যাতে কোনো প্রকার পোকামাকড় বা ইঁদুর ক্ষতি করতে না পারে।
পৃথিবীর প্রায় সব দেশের বা রাষ্ট্রের নিজস্ব শস্য বীজ সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা আছে তবে তা তুলনায় ছোট ও সীমিত, জানলে অবাক হবেন পৃথিবীর ইতিহাসে নরওয়ে সরকার নব্বই লক্ষ ডলার খরচে 2006 সালে তাদের দেশে ভালবার্ড অঞ্চলে সুমুদ্র উপকূল অঞ্চল থেকে প্রায় সাড়ে ন’শো কিলোমিটার অভ্যন্তরে একটি দ্বীপের পাহাড়ে পরিত্যক্ত খনিতে “বিশ্বের বীজভান্ডার” স্থাপন করেছেন। বিশ্বের সমস্ত দেশের প্রায় পাঁচ হাজার জাতের ন’লক্ষ বীজের নমুনা সংরক্ষণ করা হয়েছে। পঁয়তাল্লিশ লাখ জাতের আড়াইশো কোটি এর সক্ষমতা। মাইনাস আঠারো ডিগ্রিতে এগুলি সংরক্ষণ করা হয়। রক্ষনাবেক্ষনের জন্য এটি বছরে তিন বার খোলা হয়। এটির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তার জন্য বিপুল খরচের বোঝা সে দেশের সরকারের সাথে সাথে বিভিন্ন দেশের সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিরলস সাহায্য করে চলেছেন।
সুতরাং খাদ্যে স্বয়ম্ভরতা অর্জনের জন্য ফসলের উৎপাদনই একমাত্র পথ। আর এই ফসল উৎপাদন মূল উপকরণই হচ্ছে সুস্থ, সবল, এবং সুপুষ্ট উন্নতমানের বীজ। জেনে রাখা ভালো বীজকে বলা হয় ‘শান্তির দূত’।
আমাদের এই সংখ্যার ‘জানো কি?’ বিভাগটি পরিচালনা করছেন অমৃতা সিংহরায় মজুমদার ।
জানা অজানা
কিছু খবর
ঘুড়ির সাতকাহন
দিদুন
ছোট্ট বন্ধুরা শোনো
আমার একটা কথা শোনো
তোমরা যেন বুড়ো হয়ো না
বয়স বাড়ে বাড়ুক
তবু মনের বয়স বাড়তে দিয়ো না।।----- দিদুন
আজ দিদুনের সভায় দুষ্টুমির সন্ধান। তোমরা ঘুড়ি ওড়াও? আমরা ছোটবেলায় বাবা কাকা দাদাদের প্রচুর ঘুড়ি ওড়াতে দেখতাম। লাটাই ধরতাম --- সুতোয় মান্জ্ঞা লাগাতাম--- ঘুড়িকে " ধরাই" দিতাম। "ধরাই" দেওয়া মানে আবার কি? দিদুনটা না সত্যি বুড়ী হয়ে গেছে,কিসব বলছে। শোনা না,ধরাই দেওয়া মানে হল,ঘুড়িতে সুতো বাঁধার পর ঘুড়িটাকে নিয়ে একটু দুরে গিয়ে সেটাকে যতটা পারা যায় ওপরের দিকে সোজা করে তুলে দেওয়া। এবার সঙ্গে সঙ্গে যে ঘুড়িটা ওড়াবে, সে সুতোয় টান দিয়ে ঘুড়িটাকে ক্রমে ক্রমে আকাশে ভাসিয়ে দেবে।
এখানে একটা মজার কথা আছে। যে "ধরাই" দেয়,সে একটু ভুল করলেই বনে যায় নন্দ ঘোষ।ধরো ধরাই দিতে গিয়ে ঘুড়ি বেঁকে গেল,কাঠি ভেঙে গেল,কাগজে আঙুল ঢুকে ফুটো হয়ে গেল বা ছিঁড়ে গেল,ব্যস তাহলে আর রক্ষা নাই---- সবাই মিলে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে,যেন অন্য কোনো কারণে ঘুড়ি উড়ল না,শুধু তারই সব দোষ।এবার চুপিচুপি বলি,আমি তো ছিলাম মটুসটু তাই আমি ছিলাম সেই " নন্দ ঘোষ "----- আমার দেওয়া ধরাই সদা ত্রুটিপূর্ণ। হা হা হা
মনে করা হয়,চিনদেশে প্রথম ঘুড়ি ওড়ানো শুরু হয়।আমাদের দেশে ঘুড়ি ওড়ানোর নেশা ছড়িয়ে দেন মুঘলরা।
পশ্চিম বাঙলায় বিশ্বকর্মা পূজোর দিনটি হল বিশেষভাবে ঘুড়ি ওড়ানোর দিন।ফেব্রুয়ারী মাসে পাঞ্জাবে বসন্ত উৎসবে ঘুড়ি ওড়ানোর চল আছে। মকর সংক্রান্তির দিন রাজস্থান, তেলেঙ্গানাতেও নানা রকম ঘুড়ি ওড়ানো হয়।
গুজরাটে এই মকর সংক্রান্তির দিনে ঘুড়ি উৎসব ( kite festival) হয়। রঙবেরঙেের ঘুড়িগুলো আকাশকে ছিটের কাপড়ে পরিণত করে। এই উৎসবকে ওরা উত্তরায়ণ উৎসব বলে ( festival of Uttarayan)। এইদিনে গুজরাটের রাজধানী আমেদাবাদে সবরমতী নদীর তীরে ঘুড়ি ওড়ানোকে কেন্দ্র করে বিশাল মেলা বসে। এই উৎসব বর্তমানে আন্তর্জাতিক ঘুড়ি উৎসবের ( International kite festival) তকমা অর্জন করেছে।
ঘুড়ির আবিষ্কর্তা PETER IYNN (Newzealand)। তাঁর নাম Guinness World Book of Records এ আছে। কেন জানো?তিনি একটা মস্ত বড় ঘুড়ি তৈরি করে ছিলেন যেটা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ঘুড়ি হিসেবে স্বীকৃত হয়। সেই ঘুড়ির নাম OCTOPUS KITE (27 m.)। তাঁর হাতে তৈরি আরো কয়েকধরণের ঘুড়ির নাম ---- Puffer fish,Gecko,Tribolite ইত্যাদি। হুঁ হুঁ বাবা,শুধু কি উনিই ঘুড়ি নাম রেখেছিলেন! আমাদের ঘুড়িরও অনেক নাম--- পেটকাটি,চাঁদিয়াল,মোমবাতি, বগ্গা,একতাল, জোড়াতাল, তিনতাল, লেজুড় আরো কত কি।
যাইহোক এই পিটার লিনের বিশাল কর্মকান্ড আছে ঘুড়িকে ঘিরে।সে গল্প পরের কোনো আসরের জন্য তোলা রইল।মনে করিয়ো কিন্তু,বুড়ী দিদুন খুব ভুলে যায়।
সারা পৃথিবীতেই ছড়িয়ে আছে ঘুড়ি উৎসব। কয়েকটা নমুনা দিই-----
ক) Festivals of Winds--Sydney, Australia.
সেপ্টেম্বর মাসে এই উৎসবটি হয় যে সমুদ্র সৈকতে তার নাম Iconic Bondi Beach,Sydney.
খ) Blossom Kite Festival, Washington D.C. USA.
এপ্রিল মাসের শেষের দিকে Long Beach নামক সমুদ্র সৈকতে এই উৎসব হয়।
গ) Bali Kite Festival.
এই উৎসবের হাট বসে বালিদ্বীপের Sanur Beach নামক সমুদ্র সৈকতে। নানাধরণের মাছ,ফুল, পাতা,পাখি তো বটেই নানা হিন্দু দেবদেবীর আদলেও তৈরি হয় রঙবেরঙের ঘুড়ি।সেগুলো যখন একসঙ্গে ওড়ে তখন মনে হিন্দু পুরাণের চরিত্রগুলো বইয়ের পাতার বাঁধন কেটে হাওয়া খেতে বেরিয়ে পড়েছে। সে এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উজ্জাপিত হয়।
ঘ) Weifang International Kite Festival ---- china.
এই উৎসবটিও এপ্রিল মাসেরশেষের দিকে উদযাপন করা হয়।
এই উৎসবের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল, বেশীরভাগ ঘুড়ি কিছু সাংকেতিক অর্থ বহন করে। তা হতে পারে ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক মতাবাদ পূর্ণ। চীনের জাতীয় ও ধর্মীয় প্রতীক হল ড্রাগন। তাই ড্রাগনের ছবি দেওয়া বা ড্রাগনের আদলে তৈরী ঘুড়ি ছয়লাফ হয়ে যায় আকাশ। চৈনিক ইতিহাস, লোকজীবন( folk life), লোক কথা ( folk tales),লোক গাথা ( folk lore), এগুলি অবতারণাও ঘুড়ি গায়ে দেখা যায়।
ঙ) International Dieppe Kite Festival------- France.
এই উৎসব প্রতি দুবছর অন্তর হয়।
চ) Portsmouth International Kite Festival ------United Kingdom.
এটিও পৃথিবী বিখ্যাত ঘুড়ি উৎসব।
ছ)Barri late Festival ----Guatemala.
প্রতিবছর এই উৎসব পারিত হয় নভেম্বর মাসে। এই উৎসবের অলংকরণ হল হাতে বানানো রঙবেরঙের,নানা আকারের তৎসহ সংকেতবহনকারী ঘুড়ি প্রদর্শনী। এখানে ঘুড়ির লেজের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয় নানা মঙ্গল কামনা,অন্তরের বার্তা, ছোটদের মনস্কামনা এবং সেই ঘুড়ি ওড়ানো হয়, এই আশা করে যে স্বর্গে বসবাসকারী পূর্বপুরুষরা সেই বার্তা গ্রহণ করবেন ও আশীর্বাদ জানাবেন। সমসাময়িক রাষ্ট্রনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, পরিবেশ সচেতনতামূলক বার্তাও ঘুড়িতে লেখা থাকে এমনকি স্ত্রী - স্বাধীনতা ও সুবিচার সম্পর্কিত মতবাদ ও দাবিও এই ঘুড়িগুলিতে লেখা থাকে। এই ঘুড়ির মূল্য অনেক বেশি কারণ প্রতিটি তৈরি হয় হাতে এবং সমস্ত লেখা আঁকা সবটাই হাতে করা। ছাপার কোনো গল্প নেই।এই উৎসবের প্রধান রং লাল,সবুজ, হলুদ এবং সাদা।
প্রতিবছর ১৪ই জানুয়ারী তারিখটিকে আন্তর্জাতিক ঘুড়ি দিবস ( International kite Day) হিসেবে পালন করা হয়। ১৪ই জানুয়ারী তোমার দ্বারে কড়া নাড়ছে।
So be ready with your colourful, Significant and Messenger kites for that very day----- গঁদের আঠার সঙ্গে কাঁচগুড়ো তরে মান্জ্ঞা তৈরি করে সুতোয় লাগিয়ে লাটাই ভরাতে হবে।নতুবা কারুর ঘুড়ি কাটা যাবে না,নিজের ঘুড়িই "ভোকট্টা " হয়ে যাবে। নিজের বাড়ির ছাদে মাস্ক পরে নিশ্চিন্তে ঘুড়ি ওড়াতে পারবে,বাড়ি থেকে না বেরিয়েও একরাশ মজা,মাও বকতে পারবে না।কেমন বুদ্ধি দিলাম,দিদুনরা তো এইসব বুদ্ধি দেবার জন্যই পৃথিবীতে থাকে।
আজ এখানেই শেষ---- পরের মাসে আবার আসর ।সাবধানে থেকো বন্ধুরা।বড়দের কথা শুনো,মাস্ক ব্যবহার কোরো,হাত জীবাণুমুক্ত কোরো বারবার আর যতটা সম্ভব ঘরে থেকো কেমন💞💖💝💕💜💚💙❤️🧡💛🤎💗
১. IMF
২. ৬ জানুয়ারী
৩. ৯তম
৪. ৪ঠা মার্চ
৫. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
৬. ৩০ মার্চ ১৯৪৯
৭. ১৬ মে ১৯৭৫
৮. ২৪তম
৯. ১২ জানুয়ারী
১০. পাকিস্তান
উত্তর
Free Website Created & Hosted with Website.com Website Builder